রাজশাহী বিভাগ
বগুড়া ভ্রমণ গাইড
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার; প্রাচীন পুণ্ড্রনগর মহাস্থানগড় আর দইয়ের জন্য বিখ্যাত।
⭐ বগুড়ার বিখ্যাত খাবার ও পণ্য


📜 বগুড়ার নামকরণের ইতিহাস
বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের পুত্র নাসিরুদ্দিন বগরা খান ১২৭৯-১২৮২ সালে এই অঞ্চল শাসন করেন। তাঁর নামেই নাম হয় বগুড়া।
বগুড়া কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বগুড়া প্রায় ২০০ কিমি, সময় লাগে ৪–৫ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: মহাখালী/গাবতলী থেকে গ্রীন লাইন, এস আর, শাহ ফতেহ আলী, হানিফ; নন-এসি ৫০০–৬৫০৳, এসি ১,০০০–১,৩০০৳।
- 🚆 ট্রেনে: লালমনি/রংপুর এক্সপ্রেসে সান্তাহার বা বগুড়া।
দর্শনীয় স্থান (৪টি)

মহাস্থানগড় জনপ্রিয়
খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পুণ্ড্রনগর; দেশের প্রাচীনতম নগরের ধ্বংসাবশেষ ও জাদুঘর।

বেহুলার বাসরঘর (গোকুল মেধ) জনপ্রিয়
বেহুলা-লখিন্দরের লোককথার সাথে জড়িত প্রাচীন ইটের স্থাপনা।

খেরুয়া মসজিদ কম পরিচিত
১৫৮২ সালের সুন্দর তিন গম্বুজ মসজিদ।

নওয়াব প্যালেস ও উডবার্ন পার্ক কম পরিচিত
বগুড়ার নবাবদের বাড়ি ও শহরের পার্ক।
খরচ কেমন
জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳
কোথায় থাকবেন
- মম ইন (বিলাসবহুল রিসোর্ট)
- নাজ গার্ডেন হোটেল
- পর্যটন মোটেল বগুড়া
কী খাবেন
বগুড়ার দই (আকবরিয়া, রফাত, এশিয়া), মহাস্থানের কটকটি