চট্টগ্রাম বিভাগ
বান্দরবান ভ্রমণ গাইড
দেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়গুলোর জেলা; মেঘের রাজ্য, ঝর্ণা আর পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি।
⭐ বান্দরবানের বিখ্যাত খাবার ও পণ্য


📜 বান্দরবানের নামকরণের ইতিহাস
লোককাহিনি অনুযায়ী, একসময় এখানে অনেক বানর (বান্দর) ছিল। তারা একে অপরকে ধরে সাঁকো বা 'বান' বানিয়ে ছড়া পার হত। সেই 'বান্দরের বান' থেকে নাম হয় বান্দরবান।
বান্দরবান কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বান্দরবান প্রায় ৩৩০ কিমি, সময় লাগে ৭–৮ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
দর্শনীয় স্থান (১০টি)

প্রায় ২,২০০ ফুট উঁচুতে; ভোরে মেঘ পায়ের নিচে দেখা যায়।

শহরের কাছের পাহাড়চূড়া; সূর্যাস্ত আর পাহাড়ের সারির দৃশ্য।

পাহাড়চূড়ায় সোনালি রঙের থেরবাদী বৌদ্ধ মন্দির।

প্রায় ১,২০০ ফুট উঁচুতে প্রাকৃতিক লেক; কেওক্রাডং যাওয়ার পথে থাকা যায়।

দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়চূড়া; ট্রেকারদের প্রিয় গন্তব্য।

সাঙ্গু নদীর উপর দেশের বড় জলপ্রপাতগুলোর একটি।

লেক, ঝুলন্ত সেতু আর ক্যাবল কার নিয়ে পরিবার নিয়ে ঘোরার জায়গা।

নীলগিরির পথে উঁচু পাহাড়; ম্রো গ্রাম আর মেঘের দৃশ্য।

রাস্তার পাশেই ছোট ঝর্ণা; বম জনগোষ্ঠীর তাঁতের জিনিস কেনা যায়।

দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়ালের মাঝে গভীর, ঠান্ডা পানির খুম; বাঁশের ভেলায় ভেসে ভেতরে যেতে হয়।
খরচ কেমন
জনপ্রতি দিনে ২,০০০–৪,৫০০৳; চাঁদের গাড়ি ভাগাভাগি করলে কম
কোথায় থাকবেন
- সাইরু হিল রিসোর্ট (বিলাসবহুল)
- নীলগিরি রিসোর্ট (সেনাবাহিনী পরিচালিত, আগে বুকিং লাগে)
- বান্দরবান শহরে হোটেল হিল ভিউসহ মাঝারি মানের হোটেল (৳১,৫০০–৩,৫০০)
কী খাবেন
বাঁশ কোরল, ব্যাম্বু চিকেন, পাহাড়ি সবজি ও ফল
চট্টগ্রাম বিভাগের অন্য জেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়াচাঁদপুরচট্টগ্রামকুমিল্লাকক্সবাজারফেনীখাগড়াছড়িলক্ষ্মীপুরনোয়াখালীরাঙ্গামাটি