
বান্দরবান জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ · Meghla
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স ভ্রমণ গাইড
লেক, ঝুলন্ত সেতু আর ক্যাবল কার নিয়ে পরিবার নিয়ে ঘোরার জায়গা।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়সারা বছর
⏱ কতক্ষণ লাগবে১.৫–২ ঘণ্টা
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি; ক্যাবল কার ও নৌকা আলাদা
ইতিহাস ও পরিচিতি
বান্দরবান শহরের প্রবেশপথে জেলা প্রশাসনের পর্যটনকেন্দ্র। লেকের ওপর দুটি ঝুলন্ত সেতু, ক্যাবল কার, শিশুপার্ক আর ছোট চিড়িয়াখানা আছে। পরিবার নিয়ে সহজে ঘোরার জায়গা।
মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স কীভাবে যাবেন
বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৪ কিমি।
ঢাকা থেকে বান্দরবান প্রায় ৩৩০ কিমি, সময় লাগে ৭–৮ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
কোথায় থাকবেন
- পাশেই পর্যটন মোটেল বান্দরবান
কী খাবেন
বাঁশ কোরল, ব্যাম্বু চিকেন, পাহাড়ি সবজি ও ফল
জেনে রাখুন
- প্রথম দিন বিকেলে ঘোরার জন্য ভালো
বান্দরবান জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- নীলগিরি — প্রায় ২,২০০ ফুট উঁচুতে; ভোরে মেঘ পায়ের নিচে দেখা যায়।
- নীলাচল — শহরের কাছের পাহাড়চূড়া; সূর্যাস্ত আর পাহাড়ের সারির দৃশ্য।
- স্বর্ণমন্দির (বুদ্ধ ধাতু জাদি) — পাহাড়চূড়ায় সোনালি রঙের থেরবাদী বৌদ্ধ মন্দির।
- বগা লেক — প্রায় ১,২০০ ফুট উঁচুতে প্রাকৃতিক লেক; কেওক্রাডং যাওয়ার পথে থাকা যায়।
- কেওক্রাডং — দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়চূড়া; ট্রেকারদের প্রিয় গন্তব্য।
- নাফাখুম জলপ্রপাত — সাঙ্গু নদীর উপর দেশের বড় জলপ্রপাতগুলোর একটি।
- চিম্বুক পাহাড় — নীলগিরির পথে উঁচু পাহাড়; ম্রো গ্রাম আর মেঘের দৃশ্য।
- শৈলপ্রপাত — রাস্তার পাশেই ছোট ঝর্ণা; বম জনগোষ্ঠীর তাঁতের জিনিস কেনা যায়।
- দেবতাখুম — দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়ালের মাঝে গভীর, ঠান্ডা পানির খুম; বাঁশের ভেলায় ভেসে ভেতরে যেতে হয়।