
বান্দরবান জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ · Shoilo Propat
শৈলপ্রপাত ভ্রমণ গাইড
রাস্তার পাশেই ছোট ঝর্ণা; বম জনগোষ্ঠীর তাঁতের জিনিস কেনা যায়।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়জুন–অক্টোবর
⏱ কতক্ষণ লাগবে৩০–৪৫ মিনিট
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি
ইতিহাস ও পরিচিতি
বান্দরবান-থানচি সড়কের পাশে মিলনছড়িতে প্রাকৃতিক ঝর্ণা। ঝর্ণার পাশে বম জনগোষ্ঠীর নারীরা হাতে বোনা কাপড়, ব্যাগ ও বাঁশের জিনিস বিক্রি করেন।
শৈলপ্রপাত কীভাবে যাবেন
বান্দরবান-থানচি সড়কে শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি।
ঢাকা থেকে বান্দরবান প্রায় ৩৩০ কিমি, সময় লাগে ৭–৮ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
কোথায় থাকবেন
- সাইরু হিল রিসোর্ট (বিলাসবহুল)
- নীলগিরি রিসোর্ট (সেনাবাহিনী পরিচালিত, আগে বুকিং লাগে)
- বান্দরবান শহরে হোটেল হিল ভিউসহ মাঝারি মানের হোটেল (৳১,৫০০–৩,৫০০)
কী খাবেন
বাঁশ কোরল, ব্যাম্বু চিকেন, পাহাড়ি সবজি ও ফল
জেনে রাখুন
- পাথর পিচ্ছিল—সাবধানে নামুন
- স্থানীয় হস্তশিল্প কিনে সহায়তা করুন
বান্দরবান জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- নীলগিরি — প্রায় ২,২০০ ফুট উঁচুতে; ভোরে মেঘ পায়ের নিচে দেখা যায়।
- নীলাচল — শহরের কাছের পাহাড়চূড়া; সূর্যাস্ত আর পাহাড়ের সারির দৃশ্য।
- স্বর্ণমন্দির (বুদ্ধ ধাতু জাদি) — পাহাড়চূড়ায় সোনালি রঙের থেরবাদী বৌদ্ধ মন্দির।
- বগা লেক — প্রায় ১,২০০ ফুট উঁচুতে প্রাকৃতিক লেক; কেওক্রাডং যাওয়ার পথে থাকা যায়।
- কেওক্রাডং — দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়চূড়া; ট্রেকারদের প্রিয় গন্তব্য।
- নাফাখুম জলপ্রপাত — সাঙ্গু নদীর উপর দেশের বড় জলপ্রপাতগুলোর একটি।
- মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স — লেক, ঝুলন্ত সেতু আর ক্যাবল কার নিয়ে পরিবার নিয়ে ঘোরার জায়গা।
- চিম্বুক পাহাড় — নীলগিরির পথে উঁচু পাহাড়; ম্রো গ্রাম আর মেঘের দৃশ্য।
- দেবতাখুম — দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়ালের মাঝে গভীর, ঠান্ডা পানির খুম; বাঁশের ভেলায় ভেসে ভেতরে যেতে হয়।