
ভোলা জেলা · বরিশাল বিভাগ · Char Kukri Mukri
চর কুকরি-মুকরি ভ্রমণ গাইড
ম্যানগ্রোভ বন, চিত্রা হরিণ আর নির্জন সৈকত।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
⏱ কতক্ষণ লাগবেপুরো দিন বা এক রাত
💰 আনুমানিক খরচকচ্ছপিয়া থেকে ট্রলার রিজার্ভ ২,০০০–৪,০০০৳
এক নজরে
- অবস্থান
- চরফ্যাশন, ভোলা
- বন
- উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ (১৯৭০-এর দশকে সৃজিত)
- প্রাণী
- চিত্রা হরিণ, বানর, বন্য মহিষ, পাখি
- সেরা সময়
- নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
ইতিহাস ও বিস্তারিত
চর কুকরি-মুকরি ভোলার দক্ষিণতম প্রান্তে মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর। নাম নিয়ে প্রচলিত আছে, চর জেগে ওঠার সময় এখানে প্রচুর কুকুর (কুকরি) আর ইঁদুর (মুকরি) দেখা যেত।
১৯৭০-এর দশক থেকে বন বিভাগ এখানে কেওড়া, গেওয়া, বাইনের উপকূলীয় বন সৃষ্টি করে, যা এখন বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। চিত্রা হরিণ, বানর, উদবিড়াল, বন্য মহিষ আর শীতে হাজারো পরিযায়ী পাখির আবাস। চরের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে নির্জন বালুময় সৈকত।
দুর্গম হওয়ায় এখানে পর্যটকের ভিড় কম; প্রকৃতিপ্রেমী আর ক্যাম্পিং পছন্দ করা ভ্রমণকারীদের কাছে এটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।
যা যা করবেন
- ট্রলারে বনের ভেতরের খাল দিয়ে ঘুরুন
- সৈকতে সূর্যাস্ত দেখুন
- শীতে পরিযায়ী পাখি দেখুন
- বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে ক্যাম্পিং করুন
চর কুকরি-মুকরি কীভাবে যাবেন
চরফ্যাশন থেকে কচ্ছপিয়া ঘাট, তারপর ট্রলারে।
ঢাকা থেকে ভোলা প্রায় ২০০ কিমি, সময় লাগে ৬–৮ ঘণ্টা (লঞ্চে)।
- 🚢 লঞ্চে: সদরঘাট থেকে ভোলা/ইলিশা, চরফ্যাশন (বেতুয়া) ও মনপুরার লঞ্চ; ডেক ৩০০–৪৫০৳, কেবিন ১,২০০–৩,০০০৳।
- 🚌 বাসে: বরিশাল হয়ে লাহারহাট ফেরি পার হয়ে ভোলা।
কোথায় থাকবেন
- চরে বন বিভাগের রেস্ট হাউস ও কমিউনিটি কটেজ (সীমিত)
কী খাবেন
মহিষের দই, মেঘনার ইলিশ
জেনে রাখুন
- খাবার পানি সাথে নিন
- জোয়ার-ভাটার সময় জেনে ট্রলারের সময় ঠিক করুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- চর পাতিলা ও তারুয়া সৈকত (নৌকায়)
- জ্যাকব ওয়াচ টাওয়ার, চরফ্যাশন
- ঢালচর
ভোলা জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- মনপুরা দ্বীপ — মেঘনার বুকে সবুজ দ্বীপ; হরিণ, ম্যানগ্রোভ আর মাছ ধরার দৃশ্য।
- জ্যাকব ওয়াচ টাওয়ার — চরফ্যাশন শহরের উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, চারপাশের দৃশ্য দেখা যায়।