
সিলেট জেলা · সিলেট বিভাগ · Panthumai Waterfall
পান্থুমাই ঝর্ণা ভ্রমণ গাইড
মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নামা বড় ঝর্ণা, নদী থেকে দেখা যায়।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়জুন–সেপ্টেম্বর
⏱ কতক্ষণ লাগবেঅর্ধেক দিন (বিছনাকান্দির সাথে)
💰 আনুমানিক খরচনৌকা ভাড়া বিছনাকান্দির প্যাকেজের সাথে ৫০০–১,০০০৳ অতিরিক্ত
ইতিহাস ও পরিচিতি
গোয়াইনঘাটের পান্থুমাই গ্রামের পাশে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা বড় ঝর্ণা (বড়হিল ঝর্ণা নামেও পরিচিত)। ঝর্ণাটি ভারতের অংশে, বাংলাদেশ থেকে পিয়াইন নদীতে নৌকায় বসে কাছ থেকে দেখা যায়।
পান্থুমাই ঝর্ণা কীভাবে যাবেন
গোয়াইনঘাটের পান্থুমাই গ্রামে; নৌকায়।
ঢাকা থেকে সিলেট প্রায় ২৪০ কিমি, সময় লাগে ৫–৬ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/ফকিরাপুল থেকে গ্রীন লাইন, এনা, হানিফ, শ্যামলী; নন-এসি ৬৫০–৭৫০৳, এসি ১,২০০–১,৬০০৳।
- 🚆 ট্রেনে: কমলাপুর থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা, কালনী, উপবন এক্সপ্রেস; ভাড়া প্রায় ৩৭৫–১,১০০৳।
- ✈️ বিমানে: বিমান, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার; একপথ ৩,৫০০–৬,০০০৳, ৪৫ মিনিট।
কোথায় থাকবেন
- রোজ ভিউ হোটেল
- নির্ভানা ইন
- গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট
- দরগাহ গেট ও জিন্দাবাজারে মাঝারি মানের হোটেল (৳১,৫০০–৩,৫০০)
কী খাবেন
সাতকরা দিয়ে মাংস, পাঁচ ভাই/পানসী রেস্তোরাঁর ভর্তা-ভাত, চা
জেনে রাখুন
- সীমান্তের কারণে ঝর্ণার খুব কাছে যাওয়া যায় না
- বিছনাকান্দি থেকে একই নৌকায় আসা যায়
সিলেট জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- রাতারগুল জলাবন — দেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন; বর্ষায় নৌকায় গাছের ফাঁকে ঘোরা।
- জাফলং — ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের নিচে পিয়াইন নদী, পাথর আর স্বচ্ছ পানি; পাশে খাসিয়া পুঞ্জি।
- বিছনাকান্দি — পাহাড় থেকে নামা স্বচ্ছ পানি আর বিছানো পাথর; বর্ষা ও শরতে সবচেয়ে সুন্দর।
- লালাখাল — নীল-সবুজ পানির নদী আর চা বাগান; নৌকায় ঘোরা।
- সাদা পাথর, ভোলাগঞ্জ — ধলাই নদীর মুখে সাদা পাথর আর পাহাড় থেকে নামা ঠান্ডা স্বচ্ছ পানি।
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার — দেশের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক তীর্থস্থান।
- মালনীছড়া চা বাগান — উপমহাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান (১৮৫৪)।