
কিশোরগঞ্জ জেলা · ঢাকা বিভাগ · Sholakia Eidgah
শোলাকিয়া ঈদগাহ ভ্রমণ গাইড
দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতের মাঠ হিসেবে পরিচিত।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়ঈদের দিন (বিশেষ অভিজ্ঞতা); বাকি সময় সাধারণ মাঠ
⏱ কতক্ষণ লাগবে৩০ মিনিট
💰 আনুমানিক খরচবিনামূল্যে
ইতিহাস ও পরিচিতি
১৮২৮ সালে প্রথম ঈদের জামাত হয় বলে জানা যায়। জনশ্রুতি, একবার এখানে 'সোয়া লাখ' মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়েছিলেন, সেখান থেকে 'শোলাকিয়া' নাম। বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত এখানে হয়।
শোলাকিয়া ঈদগাহ কীভাবে যাবেন
কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্যেই।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ প্রায় ১৪৫ কিমি, সময় লাগে ৩.৫–৪ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: মহাখালী/সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জের বাস (অনন্যা, যাতায়াত), ভাড়া ২৫০–৩৫০৳।
- 🚆 ট্রেনে: কমলাপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ও এগারসিন্দুর প্রভাতী/গোধূলী, ভাড়া ১৫০–৪০০৳।
কোথায় থাকবেন
জেলা শহরে সাধারণ ও মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে (আনুমানিক ৳৮০০–২,৫০০)। সরকারি সার্কিট হাউস বা ডাকবাংলোতে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।
কী খাবেন
হাওরের তাজা মাছ, কিশোরগঞ্জের তালের পিঠা
জেনে রাখুন
- ঈদের দিনে কঠোর নিরাপত্তা থাকে—আগেভাগে পৌঁছান
কিশোরগঞ্জ জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- নিকলী হাওর — বর্ষায় দিগন্তজোড়া পানি, নৌকায় ঘোরা আর হাওরের সূর্যাস্তের জন্য জনপ্রিয়।
- ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক — হাওরের মাঝ দিয়ে তৈরি অল-ওয়েদার সড়ক; বর্ষায় দুই পাশে পানি, দারুণ দৃশ্য।
- পাগলা মসজিদ — নরসুন্দা নদীর তীরে বিখ্যাত মসজিদ; দানের টাকার জন্য প্রায়ই খবরে আসে।
- এগারসিন্দুর দুর্গ ও শাহ মাহমুদ মসজিদ — ঈসা খাঁর স্মৃতিবিজড়িত এগারসিন্দুর; সুলতানি আমলের এক গম্বুজ মসজিদ।