
ঢাকা জেলা · ঢাকা বিভাগ · Liberation War Museum
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ভ্রমণ গাইড
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দলিল, ছবি ও স্মৃতিচিহ্নের আধুনিক জাদুঘর।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়সারা বছর
⏱ কতক্ষণ লাগবে২–৩ ঘণ্টা
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি
ইতিহাস ও পরিচিতি
১৯৯৬ সালে সেগুনবাগিচায় যাত্রা শুরু করে, ২০১৭ সালে আগারগাঁওয়ের নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের ছবি, দলিল, শহীদদের ব্যবহৃত জিনিস ও গণহত্যার নিদর্শন সংরক্ষিত আছে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কীভাবে যাবেন
আগারগাঁওয়ে; মেট্রোরেলের আগারগাঁও স্টেশন থেকে হেঁটে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
- প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা (বিলাসবহুল)
- গুলশান-বনানী, পল্টন ও ফার্মগেট এলাকায় মাঝারি মানের অনেক হোটেল (৳২,০০০–৬,০০০)
কী খাবেন
পুরান ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি, হাজীর বিরিয়ানি, বাকরখানি, বোরহানি, নান্না মিয়ার মোরগ পোলাও
জেনে রাখুন
- রবিবার বন্ধ থাকে
- কিছু গ্যালারির ছবি শিশুদের জন্য কষ্টদায়ক হতে পারে
ঢাকা জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- লালবাগ কেল্লা — ১৬৭৮ সালে মুঘল সুবেদার শাহজাদা আজম শাহের সময়ে শুরু হওয়া অসমাপ্ত দুর্গ। ভেতরে পরী বিবির মাজার, দরবার হল ও মসজিদ।
- আহসান মঞ্জিল — বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ, এখন জাদুঘর। নবাবি আমলের আসবাব ও ছবি দেখা যায়।
- জাতীয় সংসদ ভবন — স্থপতি লুই কানের নকশায় তৈরি বিশ্ববিখ্যাত আধুনিক স্থাপত্য। চারপাশের লেক ও চন্দ্রিমা উদ্যানে বিকেলে ঘুরতে ভালো লাগে।
- হাতিরঝিল — শহরের মাঝখানে লেক, ব্রিজ আর হাঁটার পথ। সন্ধ্যায় আলোকসজ্জা ও ওয়াটার ট্যাক্সি জনপ্রিয়।
- জাতীয় জাদুঘর — দেশের সবচেয়ে বড় জাদুঘর; প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও লোকশিল্পের বিশাল সংগ্রহ।
- তারা মসজিদ — চীনামাটির টুকরো দিয়ে তারার নকশায় সাজানো আঠারো শতকের সুন্দর মসজিদ।
- ঢাকেশ্বরী মন্দির — ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন ও জাতীয় মন্দির, শহরের নামের সাথে জড়িত বলে ধারণা করা হয়।
- আর্মেনিয়ান চার্চ — ১৭৮১ সালে তৈরি আর্মেনিয়ানদের গির্জা, পুরান ঢাকার বহুজাতিক ইতিহাসের সাক্ষী।