
সাভার, ঢাকা · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
জাতীয় স্মৃতিসৌধ
📛 জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ ও স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত প্রধান জাতীয় স্মারক। এটি ঢাকা জেলার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত। 🧭 অবস্থান ও আয়তন:- ➤ অবস্থান: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভারের নবীনগর। মূল আয়তন: ৮৪ একর। ➤ সবুজ বলয়: স্মৃতিসৌধকে ঘিরে আরও ২৪ একর সবুজ এলাকা রয়েছে, যা সবুজ বাংলাদেশের প্রতীক। 🏗️ নকশা ও স্থপতি:- ➤ স্থপতি: তরুণ স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১৯৭৮ সালে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত ৫৭টি নকশার মধ্য থেকে তাঁর নকশাটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। ➤ উচ্চতা: স্মৃতিসৌধটির সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)। 🔻 সাত জোড়া দেওয়ালের তাৎপর্য:- স্মৃতিসৌধটি কংক্রিটের তৈরি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতি দেয়াল বা প্রিজম নিয়ে গঠিত। এই সাত জোড়া দেওয়াল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ৭টি ঐতিহাসিক পর্যায় নির্দেশ করে: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। 📜 নির্মাণ ও ইতিহাস:- ➤ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ➤ নির্মাণকাল: ১৯৭৯ সালে কাজ শুরু হয়ে ১৯৮২ সালে নির্মাণকাজ সমাপ্ত হয়। ➤ উদ্বোধন: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২ সালে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ➤ অন্যান্য বৈশিষ্ট্য: এখানে ১০টি গণকবর রয়েছে, এছাড়াও রয়েছে একটি কৃত্রিম হ্রদ, হেলিপ্যাড ও সবুজ উদ্যান। মূল স্মৃতিসৌধে যাওয়ার পথটি নানা উঁচু-নিচু পথ ও সেতু পার হয়ে যেতে হয়, যা মূলত স্বাধীনতার সংগ্রামের কণ্টকাকীর্ণ ও দীর্ঘ লড়াইকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।
কীভাবে যাবেন
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড - গুলবস্তান - জাতীয় স্মৃতিসৌধ। বাস, সিএনজি বা মোটর সাইকেলে যাওয়া যাবে।
কোথায় থাকবেন
শহরের যে কোনো হোটেলে থাকা যাবে।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
হোটেল, রেঁস্তোরা ইত্যাদি রয়েছে।
সুবিধা
নিরাপদ পার্কিং, ইন্টারনেট, টয়লেট ইত্যাদি
কাছের দর্শনীয় স্থান
সাভার মিনি চিড়িয়াখানা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,
নিরাপত্তা পরামর্শ
ব্যাক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও ছবি





ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন Sahid Ali Tahmid, চাঁদপুর · ১১/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →