শেরপুর জেলা · ময়মনসিংহ বিভাগ · Gazni
গজনী অবকাশ কেন্দ্র ভ্রমণ গাইড
গারো পাহাড়ের কোলে লেক, ঝুলন্ত সেতু, ওয়াচ টাওয়ার আর টিলা।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- ১৯৯৩ সাল
- আয়তন
- প্রায় ৯০ একর
- অবস্থান
- ঝিনাইগাতী, শেরপুর শহর থেকে ৩০ কিমি
- পাশে
- গারো পাহাড় ও মেঘালয় সীমান্ত
ইতিহাস ও বিস্তারিত
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় গারো পাহাড়ের পাদদেশে ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসন গজনী অবকাশ কেন্দ্র গড়ে তোলে। পাহাড়, শালবন আর লেক নিয়ে এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় পিকনিক স্পট।
অবকাশ কেন্দ্রে লেকে প্যাডেল বোট, ঝুলন্ত সেতু, ৬০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, 'পদ্মসিঁড়ি', কৃত্রিম জলপ্রপাত, ডাইনোসর ও নানা ভাস্কর্য আছে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে সীমান্তের ওপারে মেঘালয়ের পাহাড় দেখা যায়।
এলাকাটি বন্য হাতির চলাচলের পথ; প্রায়ই হাতির দল পাহাড় থেকে নেমে আসে, তাই সন্ধ্যার পর বনের দিকে যাওয়া নিরাপদ নয়। আশপাশে গারো, হাজং ও কোচ জনগোষ্ঠীর গ্রাম।
যা যা করবেন
- ওয়াচ টাওয়ার থেকে মেঘালয়ের পাহাড় দেখুন
- লেকে প্যাডেল বোট চালান
- ঝুলন্ত সেতু ও পাহাড়ি পথ ঘুরুন
গজনী অবকাশ কেন্দ্র কীভাবে যাবেন
ঝিনাইগাতী উপজেলায়; শেরপুর থেকে প্রায় ৩০ কিমি।
ঢাকা থেকে শেরপুর প্রায় ১৯০ কিমি, সময় লাগে ৪.৫–৫ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: মহাখালী থেকে শেরপুরের বাস (তুহিন, ড্রিমল্যান্ড), ভাড়া ৩৫০–৪৫০৳।
কোথায় থাকবেন
- গজনী ডাকবাংলো (অনুমতি সাপেক্ষে)
- শেরপুর শহরের হোটেল
কী খাবেন
শেরপুরের ছানার পায়েস, তুলসীমালা চাল
জেনে রাখুন
- শীতে পিকনিকের প্রচুর ভিড় হয়
- বন্য হাতির চলাচল আছে—সন্ধ্যার পর থাকবেন না
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- মধুটিলা ইকো পার্ক (২০ কিমি)
- ঝিনাইগাতীর আদিবাসী গ্রাম
- ঘাগড়া লস্কর বাড়ি মসজিদ (শেরপুর সদর)
শেরপুর জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- মধুটিলা ইকো পার্ক — টিলার বন, লেক আর ওয়াচ টাওয়ার থেকে মেঘালয়ের পাহাড়।
- ঘাগড়া লস্কর বাড়ি মসজিদ — প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ছোট এক গম্বুজ মসজিদ।