
ঝিনাইগাতী, শেরপুর · পাহাড় ও বন · লুকানো রত্ন
মায়াবী লেক
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচা নামক এলাকায় অবস্থিত মায়াবী লেক।এটি শেরপুর জেলার অন্যতম প্রাকৃতিক পযটন স্থান।স্থানীয়ভাবে জায়গাটির পূব নাম ছিল পরিচিত ছিল বগাগুচ্ছা নামে। মায়াবী লেকের বিশেষত্ব: ১.লেকটি সবুজ পাহাড় ও টিলায় ঘেরা। ২.তিন দিকে পাহাড় একদিকে ঘন বন। এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ রয়েছে। ৩.লেকের পানিতে পাহাড় ও আকাশের মনোমুগ্ধকর প্রতিচ্ছবি পড়ে অসাধারণ দৃশ্য তৈরি করে। ৪. মায়াবী লেকের উচু টিলায় উঠলে ভারতের মেঘালয়ের উঁচু পাহাড় দেখা যায়। ৫. বনটিতে নানা প্রজাতির পাখি এবং বন্য প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
১. ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে শেরপুরগামী বাসে উঠবেন। ময়মনসিংহ হয়ে শেরপুর জেলায় যেতে হবে। ২. শেরপুর জেলা থেকে বাস, সিএনজি বা গ্যাস চালিত অটোদিয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলায় সদর বাজারে যেতে হয়। ঝিনাইগাতী বাজার থেকে গুরুচরণ দুধনই হয়ে সীমান্ত সড়ক ধরে পশ্চিম দিকে তাওয়াকুচা যাবেন।তাওয়াকুচা এলাকা থেকে তিন কিলোমিটার হেঁটে অথবা মোটর সাইকেল যোগে সহজে মায়াবী লেক যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
ঝিনাইগাতী উপজেলা গজনী অবকাশ থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
তাওয়াকুচা বাজার
সুবিধা
পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় নেটওয়ার্ক সামান্য সমস্যা হতে পারে। টয়লেট,বাথরুম জন্য স্থানীয়দের বাড়ি যেতে হবে। ঐভাবে টয়লেট গড়ে উঠে নাই।তাওয়াকুচা বাজারে প্রাইমারী স্কুল মাঠে গাড়ি পাকিং করে রাখতে পারবে।
কাছের দর্শনীয় স্থান
গজনী অবকাশ, রাজার পাহাড়, রাবার বাগান
নিরাপত্তা পরামর্শ
মায়াবী লেকে নিরাপত্তা পরামর্শ একা যাবেন না — অন্তত ৩–৪ জনের দল নিয়ে যান এবং সম্ভব হলে স্থানীয় একজনকে সঙ্গে নিন। ভোরে গিয়ে সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসুন। পাহাড়ি এলাকায় সন্ধ্যার পর চলাচল না করাই নিরাপদ। 🐘 বন্যহাতি দেখলে কখনো কাছে যাবেন না, ছবি/ভিডিও করার জন্য অনুসরণ করবেন না এবং হৈচৈ করবেন না। সাম্প্রতিক সময়ে তাওয়াকুচা ও আশপাশের এলাকায় বন্যহাতির চলাচল রয়েছে। হাতির উপস্থিতির খবর থাকলে সেদিন লেকে যাবেন না। স্থানীয় বন বিভাগ বা তাওয়াকুচা বিট অফিসারের কাছ থেকে আগে খবর নিন। সীমান্তের দিকে যাবেন না। বিজিবি ক্যাম্প/সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি গিয়ে ছবি তোলা বা অচেনা পথে ঢোকা এড়িয়ে চলুন। তাওয়াকুচা সীমান্ত এলাকায় বিজিবির তৎপরতা রয়েছে। 🌳 বন বা নির্ধারিত পথের বাইরে ঢুকবেন না। মায়াবী লেকের এলাকায় বনভূমি রয়েছে এবং অতীতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার কারণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছিল।
আরও ছবি









ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন Md Subhan mia, শেরপুর · ০৮/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →