
মুন্সীগঞ্জ জেলা · ঢাকা বিভাগ · Idrakpur Fort
ইদ্রাকপুর দুর্গ ভ্রমণ গাইড
১৬৬০ সালের দিকে মীর জুমলার তৈরি মুঘল জলদুর্গ, ইটের গোলাকার মঞ্চ এখনো অক্ষত।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
⏱ কতক্ষণ লাগবে৩০–৪৫ মিনিট
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি
ইতিহাস ও পরিচিতি
১৬৬০ সালের দিকে সুবেদার মীর জুমলা ইছামতী নদীর তীরে দুর্গটি নির্মাণ করেন, মগ জলদস্যুদের ঠেকাতে। নদী এখন সরে গেছে। উঁচু গোলাকার মঞ্চটি দূর থেকে নদী পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার হতো।
ইদ্রাকপুর দুর্গ কীভাবে যাবেন
মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যেই; রিকশায় যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ প্রায় ২৭ কিমি, সময় লাগে ১–১.৫ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: গুলিস্তান থেকে মাওয়া বা মুন্সিগঞ্জগামী বাস, ভাড়া ৭০–১৫০৳।
- 🚢 লঞ্চে: সদরঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের লঞ্চ, ভাড়া ৫০–১০০৳।
কোথায় থাকবেন
জেলা শহরে সাধারণ ও মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে (আনুমানিক ৳৮০০–২,৫০০)। সরকারি সার্কিট হাউস বা ডাকবাংলোতে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।
কী খাবেন
মাওয়া ঘাটের ইলিশ ভাজা, বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের মিষ্টি
জেনে রাখুন
- মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যেই, লঞ্চঘাট থেকে রিকশায় যাওয়া যায়
মুন্সীগঞ্জ জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- পদ্মা সেতু ভিউ পয়েন্ট, মাওয়া — দেশের সবচেয়ে বড় সেতু পদ্মা সেতুর চমৎকার দৃশ্য; নদীর পাড়ে ইলিশ ভাজা খাওয়ার জনপ্রিয় জায়গা।
- সোনারং জোড়া মঠ — টঙ্গিবাড়ীতে পাশাপাশি দুটি উঁচু মঠ, বিক্রমপুরের পুরনো স্থাপত্যের নিদর্শন।
- আড়িয়াল বিল — বর্ষায় বিশাল জলাভূমি, শীতে সবুজ মাঠ আর বিলের মিষ্টিকুমড়া; নৌকায় ঘোরার শান্ত জায়গা।