
মুন্সীগঞ্জ জেলা · ঢাকা বিভাগ · Arial Beel
আড়িয়াল বিল ভ্রমণ গাইড
বর্ষায় বিশাল জলাভূমি, শীতে সবুজ মাঠ আর বিলের মিষ্টিকুমড়া; নৌকায় ঘোরার শান্ত জায়গা।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়জুলাই–অক্টোবর (বর্ষায় নৌকা) ও ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি (শীতের সবুজ)
⏱ কতক্ষণ লাগবেঅর্ধেক দিন
💰 আনুমানিক খরচনৌকা ভাড়া ঘণ্টায় ৩০০–৬০০৳
ইতিহাস ও পরিচিতি
পদ্মা ও ধলেশ্বরীর মাঝে প্রায় ১৩৬ বর্গকিমির নিচু জলাভূমি, দেশের প্রাচীন বিলগুলোর একটি। বর্ষায় বিশাল জলরাশি আর শীতে ধান ও বিখ্যাত বড় আকারের মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়। একসময় এখানে বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা স্থানীয়দের আন্দোলনে বাতিল হয়।
আড়িয়াল বিল কীভাবে যাবেন
শ্রীনগর উপজেলায়; শ্রীনগর থেকে অটো বা নৌকা।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ প্রায় ২৭ কিমি, সময় লাগে ১–১.৫ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: গুলিস্তান থেকে মাওয়া বা মুন্সিগঞ্জগামী বাস, ভাড়া ৭০–১৫০৳।
- 🚢 লঞ্চে: সদরঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের লঞ্চ, ভাড়া ৫০–১০০৳।
কোথায় থাকবেন
জেলা শহরে সাধারণ ও মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে (আনুমানিক ৳৮০০–২,৫০০)। সরকারি সার্কিট হাউস বা ডাকবাংলোতে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।
কী খাবেন
মাওয়া ঘাটের ইলিশ ভাজা, বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের মিষ্টি
জেনে রাখুন
- শ্রীনগরের গাদিঘাট থেকে নৌকা পাওয়া যায়
- বর্ষায় সূর্যাস্ত দেখার জন্য বিকেলে যান
মুন্সীগঞ্জ জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- পদ্মা সেতু ভিউ পয়েন্ট, মাওয়া — দেশের সবচেয়ে বড় সেতু পদ্মা সেতুর চমৎকার দৃশ্য; নদীর পাড়ে ইলিশ ভাজা খাওয়ার জনপ্রিয় জায়গা।
- ইদ্রাকপুর দুর্গ — ১৬৬০ সালের দিকে মীর জুমলার তৈরি মুঘল জলদুর্গ, ইটের গোলাকার মঞ্চ এখনো অক্ষত।
- সোনারং জোড়া মঠ — টঙ্গিবাড়ীতে পাশাপাশি দুটি উঁচু মঠ, বিক্রমপুরের পুরনো স্থাপত্যের নিদর্শন।