
বরগুনা জেলা · বরিশাল বিভাগ · Tengragiri Wildlife Sanctuary
সোনাকাটা সৈকত ও টেংরাগিরি ইকোপার্ক ভ্রমণ গাইড
নির্জন সৈকত আর কেওড়া-গোলপাতার বন; কুয়াকাটা থেকে দেখা যায়।
এক নজরে
- বন
- টেংরাগিরি (ফাতরার বন), প্রায় ১৩,৬৪৪ একর
- সংরক্ষণ
- ১৯৬৭ সালে সংরক্ষিত বন; ২০১০ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
- অবস্থান
- তালতলী উপজেলা
- সেরা সময়
- নভেম্বর–মার্চ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
টেংরাগিরি বা ফাতরার বন সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত। ১৯৬৭ সালে এটি সংরক্ষিত বন ঘোষিত হয়, পরে ২০১০ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। বনে কেওড়া, গেওয়া, সুন্দরী, গোলপাতা গাছ আর বানর, শূকর, হরিণ ও নানা পাখি আছে।
বনের ভেতরে সোনাকাটা ইকোপার্কে কুমির প্রজনন কেন্দ্র, হরিণ বেষ্টনী, ওয়াচ টাওয়ার আর কাঠের ট্রেইল। বনের পাশেই প্রায় ১০ কিমি লম্বা সোনাকাটা সৈকত, যা কুয়াকাটার চেয়ে অনেক নির্জন।
কুয়াকাটা থেকে আন্ধারমানিক নদী পার হয়ে ট্রলারে বা পদ্মা সেতু চালুর পর সড়কপথে সহজে পৌঁছানো যায়।
যা যা করবেন
- ইকোপার্কের ট্রেইলে বনের ভেতরে হাঁটুন
- ওয়াচ টাওয়ার থেকে বন ও সমুদ্র দেখুন
- নির্জন সোনাকাটা সৈকতে সূর্যাস্ত দেখুন
সোনাকাটা সৈকত ও টেংরাগিরি ইকোপার্ক কীভাবে যাবেন
তালতলী উপজেলায়; কুয়াকাটা থেকে ট্রলারে বা সড়কপথে।
ঢাকা থেকে বরগুনা প্রায় ২৫০ কিমি, সময় লাগে ৬–৭ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: পদ্মা সেতু হয়ে বরগুনার বাস (সাকুরা, দোলা), ভাড়া ৬০০–৯০০৳।
- 🚢 লঞ্চে: সদরঘাট থেকে বরগুনার লঞ্চ।
কোথায় থাকবেন
জেলা শহরে সাধারণ ও মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে (আনুমানিক ৳৮০০–২,৫০০)। সরকারি সার্কিট হাউস বা ডাকবাংলোতে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।
কী খাবেন
সামুদ্রিক মাছ, শুঁটকি
জেনে রাখুন
- কুয়াকাটা থেকে দিনে ঘুরে আসা সবচেয়ে সহজ
- বনের গভীরে একা যাবেন না
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- শুভসন্ধ্যা সৈকত (১৫ কিমি)
- কুয়াকাটা (নদী পার হয়ে)
- তালতলীর রাখাইন পল্লী
বরগুনা জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- শুভসন্ধ্যা সৈকত — পায়রা নদীর মোহনায় ঝাউবন ঘেরা শান্ত সৈকত।