
borlekha, মৌলভীবাজার · ঝর্ণা · লুকানো রত্ন
pucum Waterfall
★ ৫.০ · ২টি রিভিউ
চুম ঝর্ণা পাহাড়ি প্রকৃতির এক নির্জন এবং বন্য সৌন্দর্যের প্রতীক। যারা লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা অফট্র্যাক বা কম পরিচিত ঝর্ণা এক্সপ্লোর করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান। তবে এই ঝর্ণার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী রূপ। পুচুম ঝর্ণা ভ্রমণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি কিছু তথ্য: পানির প্রাপ্যতা: এই ঝর্ণায় সারাবছর তো দূরের কথা, বর্ষাকালেও সবসময় পানি থাকে না। পর্যটকদের মুগ্ধ করার মতো বা দেখার মতো পর্যাপ্ত পানির প্রবাহ এখানে বছরে মাত্র দুই থেকে তিন দিনই দেখা যায়। সাধারণত একটানা অতিভারী বা মুষলধারে বৃষ্টির ঠিক পরপরই এটি তার পূর্ণাঙ্গ ও ভয়ংকর সুন্দর রূপ পায়। ভ্রমণকারীদের জন্য সতর্কতা ও পরামর্শ: যেহেতু বছরের বাকি ৩৬২ দিনই এটি প্রায় পানিশূন্য বা একেবারে শুকনো থাকে, তাই এখানে আসার ক্ষেত্রে আগে থেকে স্থানীয়দের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা জেনে আসাটা অত্যন্ত জরুরি। পানির পরিস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে ভ্রমণ করলে কেবল শুকনো পাথর আর পাহাড় দেখে আপনাকে চরম হতাশ হয়ে ফিরতে হবে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে দক্ষিণভাগ বাজার: ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি বড়লেখার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। আসার পথে কুলাউড়া বাজার পার হওয়ার পর আরও প্রায় ২০ কিলোমিটার সামনে এগিয়ে 'দক্ষিণভাগ বাজার'-এ নেমে যেতে হবে। (ট্রেনে করে কুলাউড়া স্টেশনে নেমে সেখান থেকেও বাস বা সিএনজিতে করে দক্ষিণভাগ বাজারে আসা যায়)। ২. দক্ষিণভাগ বাজার থেকে খাসিয়া পুঞ্জি: দক্ষিণভাগ বাজারে নেমে সেখান থেকে একটি অটোরিকশা নিয়ে সরাসরি চলে আসতে হবে 'পাথারিয়া চা বাগান ৭ নং খাসিয়া পুঞ্জি'তে। ৩. ট্রেকিং ও গাইডের সতর্কতা: এই ৭ নং খাসিয়া পুঞ্জি থেকেই মূলত পাহাড়ি পথ ধরে পুচুম ঝর্ণায় যাওয়ার ট্রেকিং শুরু হয়। তবে পুঞ্জির পর থেকে রাস্তাটি বেশ দুর্গম ও জঙ্গলাকীর্ণ। তাই কোনোভাবেই গাইড ছাড়া এই পথে যাওয়া উচিত নয়; গাইড ছাড়া সেখানে যাওয়াটা খুবই রিস্কি হয়ে যাবে। পথ না হারানোর জন্য এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে পুঞ্জি থেকে অবশ্যই একজন স্থানীয় গাইড সাথে নিয়ে তবেই ঝর্ণার উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে।
কোথায় থাকবেন
Sri Mangal.
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
madhobkunda
কাছের দর্শনীয় স্থান
Madhobkunda at 1 km
নিরাপত্তা পরামর্শ
It's a very risky site. don't go alone.
আরও ছবি




ম্যাপে অবস্থান
রিভিউ
- ★★★★★ Md Taskin Ahmad Tahsin (০৯/১০/২০২৬): এই ঝর্ণায় সারাবছর তো দূরের কথা, বর্ষাকালেও সবসময় পানি থাকে না। পর্যটকদের মুগ্ধ করার মতো বা দেখার মতো পর্যাপ্ত পানির প্রবাহ এখানে বছরে মাত্র দুই থেকে তিন দিনই দেখা যায়। সাধারণত একটানা অতিভারী বা মুষলধারে বৃষ্টির ঠিক পরপরই এটি তার পূর্ণাঙ্গ ও ভয়ংকর সুন্দর রূপ পায়। ভ্রমণকারীদের জন্য সতর্কতা ও পরামর্শ: যেহেতু বছরের বাকি ৩৬২ দিনই এটি প্রায় পানিশূন্য বা একেবারে শুকনো থাকে, তাই এখানে আসার ক্ষেত্রে আগে থেকে স্থানীয়দের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা জেনে আসাটা অত্যন্ত জরুরি। পানির পরিস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে ভ্রমণ করলে কেবল শুকনো পাথর আর পাহাড় দেখে আপনাকে চরম হতাশ হয়ে ফিরতে হবে।
- ★★★★★ NOBOAB MUSTAKIM (০৯/১০/২০২৬): এই ঝরনার অন্যতম আকর্ষণ হলো সেখানে পৌঁছানোর পথ। সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের মতো সহজে গাড়ি নিয়ে ঝরনার কাছে যাওয়া যায় না; বন ও পাথুরে পথ ধরে হাঁটতে হয়। স্থানীয় ভ্রমণবিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, পথের শুরু থেকে ঝরনায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় থেকে আড়াই ঘণ্টা ট্রেকিং লাগতে পারে। তাই যাত্রাটিও ভ্রমণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্ষাকাল ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে ঝরনায় পানির প্রবাহ তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ি ছড়ার পানি বেড়ে যাওয়া এবং পাথর পিচ্ছিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আবহাওয়া ও স্থানীয় পরিস্থিতি যাচাই করে অভিজ্ঞ স্থানীয় গাইডের সঙ্গে যাওয়া উচিত।
পাঠিয়েছেন Yusuf Ahmad Choudhyry, মৌলভীবাজার · ০৯/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →