
কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (মিনি সাজেক)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ ও সমাধিস্থলটি স্থানীয়ভাবে ‘মিনি সাজেক’ নামে পরিচিত। এটি বিশেষ হওয়ার মূল কারণ হলো পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ, যা দেখতে অনেকটা সাজেক ভ্যালির মতো পাহাড়ি টিলা ও সবুজের সমারোহের অনুকরণ মনে হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সীমান্ত এলাকায় শহীদ হওয়া প্রায় ৫০ থেকে ৫১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার লাশ স্থানীয় এক পাহাড়ের চূড়ায় সমাহিত করা হয়েছিল, যা এই স্থানটিকে যেমন ঐতিহাসিক গৌরবমণ্ডিত করেছে, তেমনি চারপাশের শান্ত ও পাহাড়ি সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এখানে গেলে উঁচু পাহাড়ের ওপর অবস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পবিত্র সমাধিস্থল, স্মৃতিসৌধ, চারপাশের সবুজ পাহাড়ের রূপ, বাতাস এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিকটবর্তী প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া এর আশেপাশে কসবা সীমান্ত হাট, কল্যাণ সাগর দিঘী, ঘাগুটিয়া পদ্মবিল এর মতো আকর্ষণীয় স্থানগুলোও ঘুরে দেখা যায়
কীভাবে যাবেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে প্রথমে বাস বা সিএনজিচালিত অটোরিক্সায় করে কসবা উপজেলায় যেতে হবে। কসবা সদর বা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে সিএনজি বা স্থানীয় যানবাহনে চড়ে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বায়েক ইউনিয়নের কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধে সহজে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন
উপজেলা শহরে আবাসিক হোটেল আছে
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
প্রচুর খাবারের দোকান আছে
সুবিধা
টয়লেট এবং পার্কিং সুবিধা আছে
কাছের দর্শনীয় স্থান
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পবিত্র সমাধিস্থল (২০০ মিটার), ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (১ কিমি)
নিরাপত্তা পরামর্শ
বর্ষায় পিচ্ছিল থাকে পাহাড়ি রাস্তা
আরও ছবি




ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন Shakirul Islam, ব্রাহ্মণবাড়িয়া · ১১/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →