
বাঁশখালী, পুকুরিয়া, চট্টগ্রাম · পাহাড় ও বন · লুকানো রত্ন
পুকুরিয়া বেঁলগাও চা-বাগান
পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগান: প্রকৃতির সবুজ স্বর্গ চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগান প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা এক মনোমুগ্ধকর স্থান। সবুজে মোড়ানো পাহাড়ের ঢালজুড়ে সারি সারি চা গাছ যেন প্রকৃতির বুকে বিছিয়ে দিয়েছে সবুজের মখমলি চাদর। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, পাহাড়ের প্রতিটি ভাঁজে লুকিয়ে আছে সৌন্দর্যের একেকটি গল্প। সকালের সোনালি রোদ, মৃদুমন্দ বাতাস আর চারপাশের শান্ত পরিবেশ চা বাগানটিকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। চা গাছের সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা মনকে প্রশান্ত করে, ক্লান্ত হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে নতুন অনুভূতি। এখানকার নৈসর্গিক দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমী, ভ্রমণপিপাসু ও আলোকচিত্রপ্রেমীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ। চা বাগান শুধু সৌন্দর্যের আধার নয়, এটি শ্রমজীবী মানুষের পরিশ্রম, জীবিকা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। প্রতিটি চা পাতার সঙ্গে মিশে আছে মানুষের ঘাম, স্বপ্ন ও জীবনের গল্প। পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগান তাই কেবল একটি দর্শনীয় স্থান নয়; এটি সবুজ প্রকৃতি, মানুষের জীবনসংগ্রাম ও অপরূপ সৌন্দর্যের এক অনন্য সম্মিলন। প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতিকে ভালোবাসা মানেই নিজের অস্তিত্বকে ভালোবাসা। আসুন, এই সৌন্দর্য উপভোগ করি এবং প্রকৃতির অমূল্য সম্পদ সংরক্ষণে সচেতন হই।
কীভাবে যাবেন
চট্টগ্রাম শহরের নতুন ব্রীজ থেকে বাঁশখালীগামী বাস ও সিএনজি করে চাঁনপুর বাজার, চানপুর থেকে পূর্বে পুকুরিয়া চৌমুহনী, চৌমুহনী থেকে দক্ষিনে ১ কিলোমিটার পর চা বাগান।
কোথায় থাকবেন
চট্টগ্রাম শহরে চলে যেতে হবে।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
উন্নত মানের খাবারের হোটেল সহ সকল সুবিধা রয়েছে।
সুবিধা
সব আছে।
কাছের দর্শনীয় স্থান
বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত, ১২ কিলোমিটার, সাঙ্গু সৈকত ১.৫ কিলোমিটার
নিরাপত্তা পরামর্শ
দিনে আসতে হবে। রাতে থাকার কোন ব্যবস্থা নাই।
আরও ছবি








ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন সাজেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম · ১১/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →