
গাইবান্ধা · খাবার
Gaibandhar Rosomunjiri
🍮 গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী শুধু একটি মিষ্টি নয়, এটি জেলার খাদ্য-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি অংশ। প্রায় আট দশক ধরে এই মিষ্টি মানুষের রসনা তৃপ্ত করে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে রসমঞ্জুরীর প্রচলন শুরুর সময় হিসেবে ১৯৪০ বা ১৯৪৮ সাল উল্লেখ করা হয়েছে; ১৯৪৮ সালের জুনে রমেশ ঘোষের হাত ধরে এটি জনপ্রিয়ভাবে তৈরি শুরু হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। � Prothom Alo +1 রসমঞ্জুরী দেখতে অনেকটা রসমালাইয়ের মতো। ছোট ছোট নরম ছানার বলকে ঘন দুধ বা ক্ষীরের মধ্যে দেওয়া হয়। দুধ, ছানা, চিনি, সামান্য ময়দা/সুজি ও এলাচ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। ঘন দুধের সঙ্গে নরম মিষ্টির সংমিশ্রণে এর স্বাদ হয় মিষ্টি, রসালো ও বিশেষ ধরনের। � Prothom Alo +1 গাইবান্ধায় বেড়াতে গেলে রসমঞ্জুরী খাওয়া অনেকের কাছেই যেন ভ্রমণের একটি অংশ। আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়া, বিয়ে বা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেও এই মিষ্টি আপ্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে গাইবান্ধার বাইরে দেশের বিভিন্ন জায়গাতেও এটি যায়, এমনকি বিদেশেও মানুষ নিয়ে যান। � dhakapost.com +1 গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের ব্র্যান্ডিংয়েও রসমঞ্জুরী স্থান পেয়েছে। জেলার পরিচিতিমূলক স্লোগানেও রয়েছে—“স্বাদে ভরা রসমঞ্জুরির ঘ্রাণ
কোথায় পাবেন
Romesh mistanno vandar , Deb mistanno vandar , gaibandha mistanno vandar
পাঠিয়েছেন MS Labib, গাইবান্ধা · ০৮/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।