
রাঙ্গামাটি জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ · Rangamati Hanging Bridge
ঝুলন্ত সেতু ভ্রমণ গাইড
লেকের উপর রাঙ্গামাটির প্রতীক ঝুলন্ত সেতু।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়জুলাই–ডিসেম্বর
⏱ কতক্ষণ লাগবে৪৫ মিনিট
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৩৩৫ ফুট
- অবস্থান
- পর্যটন কমপ্লেক্স, রাঙ্গামাটি শহর
- পরিচালনা
- বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
- প্রবেশ
- সামান্য টিকিট
ইতিহাস ও বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সে কাপ্তাই লেকের একটি অংশের ওপর ১৯৮০-এর দশকে তৈরি এই ঝুলন্ত সেতু দুটি পাহাড়কে যুক্ত করেছে। লাল রঙের সেতুটি রাঙ্গামাটির সবচেয়ে পরিচিত প্রতীক, অনেক পোস্টার ও ভ্রমণ বিজ্ঞাপনে এর ছবি দেখা যায়।
বর্ষা ও শরতে লেক ভরা থাকলে সেতুর নিচে পানি থাকে; শুকনো মৌসুমের শেষে পানি অনেক নেমে গেলে সেতুর নিচে মাটি বেরিয়ে আসে। পর্যটন কমপ্লেক্স থেকেই নৌকায় লেক ভ্রমণ শুরু করা যায়।
যা যা করবেন
- সেতুর মাঝখান থেকে লেকের দুই দিকের দৃশ্য দেখুন
- পর্যটন ঘাট থেকে নৌকা ভ্রমণ শুরু করুন
- পর্যটন মোটেলে থাকুন
ঝুলন্ত সেতু কীভাবে যাবেন
পর্যটন মোটেলের পাশে; শহর থেকে সিএনজিতে।
ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি প্রায় ৩১০ কিমি, সময় লাগে ৭–৮ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে শ্যামলী, হানিফ, এস আলম; নন-এসি ৮০০–৯৫০৳, এসি ১,৩০০–১,৮০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: সাজেক যেতে খাগড়াছড়ি শহর থেকে চাঁদের গাড়ি (দীঘিনালা হয়ে, সেনা এসকর্টে)।
কোথায় থাকবেন
- পর্যটন মোটেল রাঙ্গামাটি (লেকের পাশে)
- সাজেকে রুন্ময় রিসোর্ট ও অনেক কটেজ (৳২,০০০–৬,০০০)
- রাঙ্গামাটি শহরে মাঝারি মানের হোটেল
কী খাবেন
ব্যাম্বু চিকেন, কাপ্তাই লেকের মাছ, পাহাড়ি রেস্তোরাঁর খাবার
জেনে রাখুন
- শুকনো মৌসুমে পানি কমে গেলে সেতুর নিচে মাটি দেখা যায়
- বিকেলে ভিড় বেশি
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- পর্যটন মোটেল রাঙ্গামাটি (পাশে)
- রাজবন বিহার (নৌকায় ১৫ মিনিট)
- উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট জাদুঘর
রাঙ্গামাটি জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- কাপ্তাই লেক — পাহাড়ে ঘেরা দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম লেক; নৌকায় সারাদিন ঘোরা যায়।
- সাজেক ভ্যালি — প্রায় ১,৮০০ ফুট উঁচুতে মেঘের উপত্যকা; রুইলুই পাড়া, কংলাক পাহাড়ে সূর্যোদয়।
- শুভলং ঝর্ণা — কাপ্তাই লেকের পাশে পাহাড় থেকে নামা ঝর্ণা; বর্ষায় সবচেয়ে সুন্দর।
- রাজবন বিহার — চাকমা রাজার সহযোগিতায় তৈরি বড় বৌদ্ধ বিহার, লেকের পাশে।
- কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান — পাহাড়ি বন, কর্ণফুলী নদী আর কাপ্তাই বাঁধ।