
গাজীপুর জেলা · ঢাকা বিভাগ · Bhawal National Park
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ভ্রমণ গাইড
শাল-গজারির বনে ঘেরা উদ্যান; পিকনিক, হাঁটা ও পাখি দেখার জন্য ভালো।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ (শীতে পিকনিক মৌসুম)
⏱ কতক্ষণ লাগবেঅর্ধেক দিন
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি; পিকনিক স্পট ও কটেজের ভাড়া আলাদা
ইতিহাস ও পরিচিতি
১৯৮২ সালে প্রায় ৫,০০০ হেক্টর শালবন নিয়ে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়। একসময় এখানে বাঘ-চিতাও ছিল; এখন বানর, শিয়াল, নানা পাখি ও প্রজাপতি দেখা যায়। ভেতরে পিকনিক স্পট, লেক আর কটেজ আছে।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান কীভাবে যাবেন
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রাজেন্দ্রপুরে; ময়মনসিংহগামী বাসে নেমে যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে গাজীপুর প্রায় ৩৭ কিমি, সময় লাগে ১–২ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: মহাখালী বা আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর/শ্রীপুরগামী বাস, ভাড়া ৫০–১২০৳।
- 🚆 ট্রেনে: কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত লোকাল ও আন্তঃনগর ট্রেন, ভাড়া ৩০–১০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাসে ১–২ ঘণ্টা (যানজটের উপর নির্ভর করে)।
কোথায় থাকবেন
- উদ্যানের ভেতরে বন বিভাগের কটেজ (আগে বুকিং)
- আশপাশে অনেক রিসোর্ট
কী খাবেন
কাঁঠাল (শ্রীপুর-কাপাসিয়া), স্থানীয় রিসোর্টের বুফে
জেনে রাখুন
- শীতে ছুটির দিনে পিকনিকের ভিড় থাকে—সপ্তাহের মাঝে যান
- বনের ভেতরে একা বেশি গভীরে যাবেন না
গাজীপুর জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- সাফারি পার্ক, গাজীপুর — খোলা পরিবেশে বাঘ, সিংহ, জেব্রা, জিরাফসহ নানা প্রাণী; গাড়িতে চড়ে সাফারি করা যায়।
- নুহাশ পল্লী — লেখক হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও সমাধি; গাছপালা আর শিল্পকর্মে ভরা শান্ত জায়গা।
- ভাওয়াল রাজবাড়ি — ভাওয়াল জমিদারদের বিশাল রাজবাড়ি, বিখ্যাত 'ভাওয়াল সন্ন্যাসী' মামলার সাথে জড়িত।