রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী), রাণীশংকৈল উপজেলা, বাচোর ইউনিয়ন, ঠাকুরগাঁও
ছবি: মো সামাদ, ঠাকুরগাঁও

রাণীশংকৈল উপজেলা, বাচোর ইউনিয়ন, ঠাকুরগাঁও · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী)

★ ৩.০ · ১টি রিভিউ

রাণীশংকৈল রাজবাড়ী বা রাজা টংকনাথের জমিদার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার পূর্বপ্রান্তে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি মালদুয়ার জমিদার রাজা টংকনাথ চৌধুরীর রাজবাড়ি হিসেবে পরিচিত। রাজবাড়ির নির্মাণকাজ তাঁর পিতা বুদ্ধিনাথ চৌধুরী শুরু করেন এবং রাজা টংকনাথ তা সম্পন্ন করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রাজবাড়িটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়। পশ্চিম পাশে রয়েছে ঐতিহাসিক সিংহদরজা, উত্তর-পূর্ব পাশে কাছারিবাড়ি এবং পূর্বদিকে দুটি পুকুর। বর্তমানে রাজবাড়ির বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এটি রাণীশংকৈলের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন।

🗓️ যাওয়ার সেরা সময়শীতকাল (নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি) — আবহাওয়া তুলনামূলক আরামদায়ক থাকায় ঘোরার জন্য ভালো। বর্ষায় কুলিক নদীর পরিবেশও সুন্দর, তবে চলাচলে কাদামাটির সমস্যা হতে পারে।
⏱ কতক্ষণ লাগে১–২ ঘণ্টা রাজবাড়ি ও আশপাশ ঘুরে দেখতে যথেষ্ট।
💰 খরচপ্রবেশমূল্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য সরকারি নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই ফর্মে লিখতে পারেন: “প্রবেশমূল্য: বিনামূল্যে/স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত করতে হবে”। চাইলে আরও নিরাপদভাবে শুধু “প্রবেশমূল্য প্রযোজ্য নয় (স্থানীয়ভাবে যাচাইযোগ্য)” লিখতে পারেন।

কীভাবে যাবেন

ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজিযোগে রাণীশংকৈল উপজেলা সদরে যেতে হবে। রাণীশংকৈল বাসস্ট্যান্ড থেকে ভ্যান, অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে প্রায় ১ কিলোমিটার পূর্বদিকে কুলিক নদীর তীরে রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন

রাণীশংকৈল উপজেলা সদরের আবাসিক হোটেল/গেস্টহাউস ব্যবহার করা যেতে পারে। উন্নতমানের থাকার জন্য ঠাকুরগাঁও শহরেও থাকা যায়।

কাছে খাবারের ব্যবস্থা

রাণীশংকৈল উপজেলা সদর ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।

সুবিধা

উপজেলা সদর কাছাকাছি হওয়ায় স্থানীয় যানবাহন, খাবার ও প্রয়োজনীয় দোকানপাট সহজে পাওয়া যায়। রাজবাড়ির আশপাশে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও কুলিক নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা যায়।

কাছের দর্শনীয় স্থান

রাজা টংকনাথের রামচন্দ্র (জয়কালী) মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ — রাজবাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দক্ষিণে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত। মন্দিরটি রাজবাড়ির চেয়েও প্রাচীন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিরাপত্তা পরামর্শ

পুরোনো ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে না ওঠা এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল বা কাঠামো থেকে দূরে থাকা উচিত। কুলিক নদীর তীরে গেলে পানির কাছাকাছি সতর্কতা অবলম্বন করুন।

আরও ছবি

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী): ছবি ২
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী): ছবি ৩
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী): ছবি ৪
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী (রাণীশংকৈল রাজবাড়ী): ছবি ৫

ম্যাপে অবস্থান

রিভিউ

  • ★★★☆☆ জাহাঙ্গীর আলম (০৯/১০/২০২৬): বেশ ভালো, অসাধারণ

পাঠিয়েছেন মো সামাদ, ঠাকুরগাঁও · ০৮/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।

Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →

ঠাকুরগাঁও জেলার আরও লুকানো রত্ন

ঠাকুরগাঁও জেলার ভ্রমণ গাইড: সব দর্শনীয় স্থান →