
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
রামরাই দিঘী (রানীসাগর)
★ ৫.০ · ১টি রিভিউ
রামরাই দিঘী নিয়ে বিস্তারিত... বিস্তারিতঃ রামরাই দিঘী (রাণীসাগর) – ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহাসিক জলাশয় অবস্থান: রামরাই দিঘী ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের উত্তরগাঁও মৌজায় অবস্থিত। এটি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পদমপুর ও উত্তরগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। বরেন্দ্র অঞ্চলের মধ্যে আয়তনে এটি দ্বিতী বৃহত্তম প্রাচীন জলাশয়। বিস্তারিত বিবরণ: রামরাই দিঘীর মোট আয়তন প্রায় ৪২.২০ একর, যার মধ্যে ১৮.৩৪ একর ভূমি ও ২৩.৮২ একর জলভাগ। দিঘীর দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণে ৯০০ মিটার এবং প্রস্থ পূর্ব-পশ্চিমে ৪০০ মিটার। দিঘীটি প্রাচীন কালের একটি জীবন্ত নিদর্শন, যার সঠিক নির্মাণকাল জানা না গেলেও ধারণা করা হয় এটি ৫০০ থেকে ১০০০ বছরের পুরাতন। এটি একসময় এলাকার মানুষের জন্য প্রধান পানির উৎস ছিল। সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ উদ্যোগ: ২০০৩ সালে পুকুরটিকে ঘিরে "রাণীসাগর ফাউন্ডেশন” নামে একটি সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। এই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দিঘীর চারপাশে প্রায় ১২০০টির বেশি লিচু গাছ, নানা ফলজ, ভেষজ ও বনজ গাছ লাগানো হয়েছে। প্রতি বছর এই গাছগুলোর ফল বিক্রি করে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদ করা হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা: চারপাশের ঘন সবুজ, লিচুর সারি আর টলটলে পানির ছোঁয়ায় রামরাই দিঘী এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার। শীতকালে এখানে হাজারো অতিথি পাখির আগমন ঘটে, যা এলাকাটিকে "পাখিরাজ্য" হিসেবে পরিচিত করে তোলে। বর্তমানে রামরাই দিঘীকে একটি পর্যটন কেন্দ্র এবং বিনোদন পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ? উপসংহার: রামরাই দিঘী শুধুমাত্র একটি প্রাচীন পুকুর নয়, এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং মানবসেবার এক অনন্য নিদর্শন। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে এই স্থানটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। যা যা দেখতে পারবেনঃ দর্শনীয় জায়গা কিভাবে যাবেনঃ কিভাবে যাওয়া যায়: প্রথমে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় বাসে আসতে হবে। সেখান থেকে: মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, রিকশা, ভ্যান বা সিএনজি দিয়ে সহজেই রামরাই দিঘীতে পৌঁছানো যায়। ভাড়া: রিকশা বা ভ্যানের ভাড়া সাধারণত ১৫-২০ টাকা মাত্র। প্রবেশ ফিঃ প্রবেশ ফি জনপ্রতি 20-30 টাকা। সময়সূচিঃ প্রতিদিন যাওয়া যায়। সতর্কতাঃ অপরিচিত কারো কিছু দেওয়া খাবেন না।
কীভাবে যাবেন
কিভাবে যাওয়া যায়: প্রথমে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় বাসে আসতে হবে। সেখান থেকে: মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, রিকশা, ভ্যান বা সিএনজি দিয়ে সহজেই রামরাই দিঘীতে পৌঁছানো যায়। ভাড়া: রিকশা বা ভ্যানের ভাড়া সাধারণত ১৫-২০ টাকা মাত্র।
কোথায় থাকবেন
থাকার জায়গা নাই। তবে রাণীশংকৈল এ হোটেল পেতে পারেন।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
খাবারের ব্যবস্থা আছে, ভিতরে দোকানে আছে।
সুবিধা
সবকিছু আছে।
কাছের দর্শনীয় স্থান
রাণীশংকৈল রাজবাড়ী
নিরাপত্তা পরামর্শ
রাস্তা ভালো আছে পাঁকা রাস্তা
জায়গাটি সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
মনোরম পরিবেশে অনেকেই ঘুরতে আসে।
আরও ছবি








ম্যাপে অবস্থান
রিভিউ
- ★★★★★ Anonymous (০৮/১০/২০২৬): সুন্দর জায়গা। সবাই যায় অনেক ভালো লাগে।
পাঠিয়েছেন মো সামাদ, ঠাকুরগাঁও · ০৬/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →