
নওগাঁ, নওগাঁ · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
দুবলহাটি রাজবাড়ী
★ ৫.০ · ১টি রিভিউ
নওগাঁ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দুবলহাটি রাজবাড়ী প্রায় দুইশ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন জমিদার স্থাপনা। বিস্তারিত জানতে পড়ুন দুবলহাটি রাজবাড়ী উইকিপিডিয়া পাতা। পটভূমি ও ইতিহাস • প্রতিষ্ঠা: এই জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা জগৎরাম ছিলেন একজন লবণ ব্যবসায়ী। তিনি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে দুবলহাটির কাছাকাছি এসে বসবাস শুরু করেন এবং এখানকার বিল অঞ্চলের ইজারা নেন। • বিস্তৃতি: ধীরে ধীরে তারা প্রচুর জমির মালিক হন এবং জমিদারী প্রসার লাভ করে। ১৭৯৩ সালে রাজা কৃষ্ণনাথ লর্ড কর্নওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪ হাজার ৪৯৫ টাকায় রাজ্য কিনে পরিচালনা শুরু করেন। • রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী: পরবর্তীতে এই জমিদার বংশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় জমিদার ছিলেন রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী। তাঁর আমলেই এই রাজবাড়ির ব্যাপক উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। • জমিদারীর পরিধি: দুবলহাটির জমিদারী শুধু নওগাঁ বা রাজশাহী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সিলেট, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, রংপুর এবং ভারতের কিছু অংশ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। স্থাপত্য ও বর্তমান অবস্থা • ভবন: রাজবাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট। এখানে বিশাল আঙিনা, বসার ঘর ও নানা কারুকার্য ছিল। • বর্তমান রূপ: উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি আজ ধ্বংসের মুখে ও বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।
কীভাবে যাবেন
নওগাঁ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দুবলহাটি রাজবাড়ী প্রায় দুইশ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন জমিদার স্থাপনা। বিস্তারিত জানতে পড়ুন দুবলহাটি রাজবাড়ী উইকিপিডিয়া পাতা। পটভূমি ও ইতিহাস • প্রতিষ্ঠা: এই জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা জগৎরাম ছিলেন একজন লবণ ব্যবসায়ী। তিনি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে দুবলহাটির কাছাকাছি এসে বসবাস শুরু করেন এবং এখানকার বিল অঞ্চলের ইজারা নেন। • বিস্তৃতি: ধীরে ধীরে তারা প্রচুর জমির মালিক হন এবং জমিদারী প্রসার লাভ করে। ১৭৯৩ সালে রাজা কৃষ্ণনাথ লর্ড কর্নওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪ হাজার ৪৯৫ টাকায় রাজ্য কিনে পরিচালনা শুরু করেন। • রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী: পরবর্তীতে এই জমিদার বংশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় জমিদার ছিলেন রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী। তাঁর আমলেই এই রাজবাড়ির ব্যাপক উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। • জমিদারীর পরিধি: দুবলহাটির জমিদারী শুধু নওগাঁ বা রাজশাহী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সিলেট, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, রংপুর এবং ভারতের কিছু অংশ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। স্থাপত্য ও বর্তমান অবস্থা • ভবন: রাজবাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট। এখানে বিশাল আঙিনা, বসার ঘর ও নানা কারুকার্য ছিল। • বর্তমান রূপ: উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি আজ ধ্বংসের মুখে ও বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।
কোথায় থাকবেন
+8801860901872
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
+8801860901872
সুবিধা
+8801860901872
কাছের দর্শনীয় স্থান
১. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার) • বৈশিষ্ট্য: এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার, যা ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট (UNESCO World Heritage Site) হিসেবে স্বীকৃত। এখানে একটি সমৃদ্ধ জাদুঘরও রয়েছে। • দূরত্ব: নওগাঁ শহর (বালুডাঙ্গা বাস টার্মিনাল) থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার
নিরাপত্তা পরামর্শ
+8801860901872
আরও ছবি







ম্যাপে অবস্থান
রিভিউ
- ★★★★★ Md Taskin Ahmad Tahsin (০৯/১০/২০২৬): নওগাঁ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দুবলহাটি রাজবাড়ী প্রায় দুইশ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন জমিদার স্থাপনা। বিস্তারিত জানতে পড়ুন দুবলহাটি রাজবাড়ী উইকিপিডিয়া পাতা। পটভূমি ও ইতিহাস • প্রতিষ্ঠা: এই জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা জগৎরাম ছিলেন একজন লবণ ব্যবসায়ী। তিনি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে দুবলহাটির কাছাকাছি এসে বসবাস শুরু করেন এবং এখানকার বিল অঞ্চলের ইজারা নেন। • বিস্তৃতি: ধীরে ধীরে তারা প্রচুর জমির মালিক হন এবং জমিদারী প্রসার লাভ করে। ১৭৯৩ সালে রাজা কৃষ্ণনাথ লর্ড কর্নওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪ হাজার ৪৯৫ টাকায় রাজ্য কিনে পরিচালনা শুরু করেন। • রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী: পরবর্তীতে এই জমিদার বংশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় জমিদার ছিলেন রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী। তাঁর আমলেই এই রাজবাড়ির ব্যাপক উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। • জমিদারীর পরিধি: দুবলহাটির জমিদারী শুধু নওগাঁ বা রাজশাহী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সিলেট, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, রংপুর এবং ভারতের কিছু অংশ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। স্থাপত্য ও বর্তমান অবস্থা • ভবন: রাজবাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট। এখানে বি
পাঠিয়েছেন মোঃ রোবাইদ আলী দেওয়ান, নওগাঁ · ০৮/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →