
সুনামগঞ্জ জেলা · সিলেট বিভাগ · Shimul Bagan
শিমুল বাগান ভ্রমণ গাইড
শত শত শিমুল গাছের বাগান; ফাল্গুনে লাল ফুলে ভরে যায়।
🗓️ ঘোরার সেরা সময়ফেব্রুয়ারি–মার্চ (ফুল ফোটার সময়)
⏱ কতক্ষণ লাগবে১–২ ঘণ্টা
💰 আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি
এক নজরে
- আয়তন
- প্রায় ১০০ বিঘা
- গাছ
- ৩,০০০+ শিমুল গাছ
- অবস্থান
- মানিগাঁও, তাহিরপুর
- সেরা সময়
- ফেব্রুয়ারি–মার্চ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
স্থানীয় ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন ২০০২ সালের দিকে যাদুকাটা নদীর তীরের বালুময় জমিতে শিমুল গাছ লাগানো শুরু করেন। সারি সারি গাছ বড় হয়ে এখন এক বিশাল বাগানে পরিণত হয়েছে।
ফাল্গুনে গাছগুলোতে পাতা ঝরে গিয়ে শুধু লাল শিমুল ফুল থাকে—তখন পুরো বাগান লাল হয়ে যায়, মাটিতেও লাল ফুলের গালিচা। এই সময় দেশজুড়ে ফটোগ্রাফার ও পর্যটকরা আসেন, আর বাগানটি সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি শেয়ার হওয়া জায়গাগুলোর একটি হয়ে ওঠে।
যা যা করবেন
- ফাল্গুনে লাল ফুলের নিচে ছবি তুলুন
- বাগানের পাশে যাদুকাটার পাড়ে হাঁটুন
- বারিক্কা টিলার সাথে একই দিনে ঘুরুন
শিমুল বাগান কীভাবে যাবেন
তাহিরপুরের মানিগাঁও; বারিক্কা টিলার কাছে।
ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ প্রায় ৩০০ কিমি, সময় লাগে ৬–৭ ঘণ্টা।
- 🚌 বাসে: সায়েদাবাদ/মহাখালী থেকে সুনামগঞ্জের বাস (মামুন, শ্যামলী, এনা), নন-এসি ৭০০–৮০০৳।
- 🚗 সড়কপথে: সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ বাসে প্রায় ২ ঘণ্টা।
কোথায় থাকবেন
- টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট (আগে বুকিং লাগে)
- সুনামগঞ্জ শহরে মাঝারি মানের হোটেল
কী খাবেন
হাওরের তাজা মাছ, হাঁসের মাংস
জেনে রাখুন
- ফুলের মৌসুম ছাড়া অন্য সময় সাধারণ বাগান
- গাছের ডাল ভাঙবেন না
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- বারিক্কা টিলা (৩ কিমি)
- যাদুকাটা নদী
- টাঙ্গুয়ার হাওর (নৌপথে)
সুনামগঞ্জ জেলার আরো দর্শনীয় স্থান
- টাঙ্গুয়ার হাওর — রামসার সাইট; বর্ষায় সাগরের মতো পানি, হিজল-করচ বন আর শীতে পরিযায়ী পাখি।
- নীলাদ্রি লেক (টেকেরঘাট) — পুরনো চুনাপাথর খনির নীল পানির লেক, পাহাড়ের কোলে।
- বারিক্কা টিলা — টিলা থেকে যাদুকাটা নদী আর মেঘালয় পাহাড়ের দৃশ্য।
- যাদুকাটা নদী — স্বচ্ছ নীল পানি আর সাদা বালির নদী।
- হাছন রাজা জাদুঘর — মরমী কবি হাছন রাজার বাড়ি ও স্মৃতি জাদুঘর।