
উপজেলা: মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ
মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যযুগীয় মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। মসজিদটি ১৪৬৫ খ্রিস্টাব্দে, বাংলার সুলতান রুকনউদ্দিন বারবক শাহের শাসনামলে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। এর নির্মাতা ছিলেন খান-ই-মোয়াজ্জেম উজিয়াল খান। ফলে মসজিদটির বয়স প্রায় ৫৬০ বছর। মসজিদটির স্থাপত্যে সুলতানি আমলের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। পুরু ইটের দেয়াল, বিশাল গম্বুজ, খিলান এবং অলংকরণ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। মসজিদের ভেতরে রয়েছে একাধিক মেহরাব এবং বাইরের অংশে রয়েছে অষ্টকোণাকৃতির মিনারসদৃশ অলংকরণ।
কীভাবে যাবেন
পটুয়াখালী শহর থেকে মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদে যেতে হলে প্রথমে সুবিদখালী যেতে হবে। পটুয়াখালী থেকে বাস, অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে সুবিদখালী যাওয়া যায়। সুবিদখালী বাজার থেকে মজিদবাড়িয়া যাওয়ার অটোরিকশা, ইজিবাইক বা মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। স্থানীয় চালককে মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ বললেই সাধারণত পথ দেখিয়ে দিতে পারবেন। সহজ রুট: পটুয়াখালী শহর → সুবিদখালী → মজিদবাড়িয়া → মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদ বরিশাল দিক থেকে এলে বরিশাল → বাকেরগঞ্জ → সুবিদখালী → মজিদবাড়িয়া পথেও যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
রাতযাপনের জন্য সুবিদখালী সবচেয়ে সুবিধাজনক। আরও ভালো হোটেল ও খাবারের বিকল্প চাইলে পটুয়াখালী শহরে থাকা ভালো।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
মসজিদের একেবারে আশপাশে খাবারের দোকান সীমিত হতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সুবিদখালী বাজারে খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো। সেখানে স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ভাত, মাছ, মাংসসহ সাধারণ খাবার পাওয়া যায়।
কাছের দর্শনীয় স্থান
মসজিদের কাছেই ইয়াকিন শাহ ও কালা শাহের মাজার এবং একটি প্রাচীন দিঘি রয়েছে। সময় থাকলে মির্জাগঞ্জ ও সুবিদখালী এলাকার অন্যান্য স্থানও ঘুরে দেখতে পারেন।
নিরাপত্তা পরামর্শ
পুরোনো স্থাপনার দেয়াল, ছাদ বা দুর্বল অংশে ওঠা থেকে বিরত থাকুন। মসজিদে নামাজ চলাকালে নীরবতা বজায় রাখুন এবং ছবি তোলার সময় মুসল্লিদের প্রতি সম্মান দেখান। বর্ষাকালে কাদাযুক্ত রাস্তার জন্য সতর্ক থাকুন।
আরও ছবি









ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন Sabbir Ahamed Rafi, পটুয়াখালী · ২২/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →