
কুমারখালী, কুষ্টিয়া · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
গড়াই রেল সেতু
এই ভুখণ্ডে রেল প্রবেশ করে রানাঘাট থেকে জগতি পর্যন্ত রেললাইন বসানোর ফলে তবে এ রাস্তায় কোন নদীর উপর দিয়ে রেল লাইন আসে না তাই সেতুও নির্মান হয় না। তারপর জগতি থেকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পর্যন্ত লাইন বর্ধিত করার কারনে এখানে সেতু তৈরির প্রযোজনীয়তা দেখা দেও ও রেল সেতু তৈরি করা হয়। এটিই দেশের প্রথম রেলসেতু।গড়াই নদীর উপরে নির্মিত এই সেতুটি বর্তমানে পোড়াদহ, কুষ্টিয়াকে রেলের মাধ্যমে পদ্না সেতুতে যুক্ত রাখতে বৃহত ভূমিকা পালন করছে।এখান দিয়ে প্রতিদিন ৭ জোড়া ট্রেন যাতায়াত করে থাকে।
কীভাবে যাবেন
কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মোড় থেকে কুমারখালী বা রাজবাড়ী গামী বাস,সিএনজি,ইজি-বাইক যেকোন যানবহনে উঠে সৈয়দ মাসুদ রুমী সেতু (যা রেল সেতুর একদম সাথেই) এর টোলপ্লাজায় নেমে ২ মিনিট হাটলেই রেল সেতুতে পৌছে যাওয়া যাবে।
কোথায় থাকবেন
কুষ্টিয়া শহর
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
কিছু ছোট দোকান আছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যাবে ( যেমন:পানি,রুটি,কলা,টিসু ইত্যাদি)
সুবিধা
নেটওয়ার্কে কোন সমস্যা নেই,যাতায়াত ব্যাবস্থাও অনেক সহজ
কাছের দর্শনীয় স্থান
মীর মশারফ হোসেনের বাস্তভিটা (১ কি.মি),লালন সা্ঁই এর মাঝার (৫ কি.মি), রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি (৭ কি.মি)
নিরাপত্তা পরামর্শ
বর্ষায় ও অতিরিক্ত গরমে এই জায়গা ভ্রমন না করই উত্তম কারন নদী শুকিয়ে গেলে বালু উত্তোলন করা হয় যার কারনে প্রচুর বালু বাতাসে উড়ে বেড়ায়।
আরও ছবি





ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন শাহেদ হোসেন, কুষ্টিয়া · ০৯/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →