
মাধবপুর, হবিগঞ্জ · ঐতিহাসিক স্থান · লুকানো রত্ন
তেলিয়াপাড়া মুক্তিযোদ্ধা চত্বর
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা-বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা অংশ নেন। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী।
কীভাবে যাবেন
হবিগঞ্জ বা মাধবপুর থেকে স্থানীয় বাস, সিএনজি বা অটোরিকশায় তেলিয়াপাড়া যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে সিলেটগামী বাসে মাধবপুর বা তেলিয়াপাড়া এলাকার কাছাকাছি নেমে স্থানীয় যানবাহনে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। যাত্রার সময় ও ভাড়া যানবাহন এবং যাত্রার স্থান অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
কোথায় থাকবেন
রাতযাপনের জন্য মাধবপুর বা হবিগঞ্জ শহরের হোটেল ও আবাসিক ব্যবস্থাগুলো বিবেচনা করতে পারেন। থাকার ব্যবস্থা নির্বাচন করার আগে ভাড়া, দূরত্ব ও প্রাপ্যতা যাচাই করে নিন।
কাছে খাবারের ব্যবস্থা
তেলিয়াপাড়া ও আশপাশের এলাকায় স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ছোট খাবারের দোকানে খাবার পাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘ যাত্রার ক্ষেত্রে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রয়োজনে মাধবপুর থেকে খাবার সংগ্রহ করুন।
সুবিধা
ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, ছবি তোলা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে। আশপাশে স্থানীয় যানবাহন পাওয়া যেতে পারে। তবে শৌচাগার, বিশ্রামাগার, পানীয় জল ও গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা আছে কি না, যাওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো।
কাছের দর্শনীয় স্থান
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, তেলিয়াপাড়া চা-বাগান এবং আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত চা-বাগান এলাকা।
নিরাপত্তা পরামর্শ
ঐতিহাসিক স্থাপনার পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং স্মৃতিসৌধ বা স্থাপনার কোনো ক্ষতি করবেন না। অপরিচিত স্থানে চলাচলের সময় স্থানীয়দের পরামর্শ নিন। বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হতে পারে। ভ্রমণের সময় পানির বোতল ও প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সামগ্রী সঙ্গে রাখুন।
আরও ছবি




ম্যাপে অবস্থান
পাঠিয়েছেন RONI DEV, হবিগঞ্জ · ১০/১০/২০২৬। তথ্যগুলো একজন দর্শনার্থীর পাঠানো, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন।
Unseen Bangladesh অ্যাপে খুলুন →